"বাংলার প্রকৃতি"
কোনো এক বৃষ্টি ভেজা রাত, সেই রাত যদি এমন হয়:
আজ সকালটা ছিল খুব ভালো আমি ঘুমায়ে আছি খুব আরামে আর তার পাসেই আছে একটা বিশাল বড় আমের বাগান আর তখন ছিলো আমের মাস যাকে বলা হয় মধু মাস। আর এই সময়টা অনেকের ভালো যায় আবার অনেকের তেমন একটা ভালো যাইনা। কারন অনেকে আছেন যাদের এই ঝড়-বৃষ্টির দিন গুলো তেমন একটা পছন্দ করেন না আবার কেউ আছেন যাদের কাছে খুব ভালো লাগে, যাহোক আমার কথাই আমি বলছি যে সেই আম বাগানে অনেক আম ধরেছে কাঁচা পাকা সহ। আর এদিকে মা জোরে জোরে ডাকছে- আরে ও খোকা এবার তো ঘুম থেকে ওঠ বেলা অনেক হয়েছে। এদিকে মায়ের গলার আওয়াজ আর পাখির কিচিরমিচির ডাকে ঘুম ভেঙে গেলো শুধু তাই সুয্যি মামার বলছে ভাগনে এবার তো ওঠো আমি এসেছি যে। তোমার সাথে খেলা করব বলে আর সারাটা দিন কাটাবো বলে। আর জানালার ফাক দিয়ে সুয্যিমামার আলোর ঝলাকানিতে ঘুম ভেঙে যাই। বিছানা ছেড়ে উঠে দেখি দক্ষিণা বাতাস, পাখির কিচিরমিচির শদ্ব, সুয্যিমামার মিষ্টি আলো, বাবার বকুনি আর মায়ের স্নেহ ভরা চোখের পাতা খোলে। আর তখন থেকে শুরু হয় আমার সারাদিনের কর্মকান্ড। যেমন: এখন তো আমের সময় তাই স্কুলে যাবার পথে কারো গাছের আম পেড়ে খাওয়া আবার লিচুর সময় হলে লিচু পেড়ে খাওয়া। তো আমের সময়টা সব থেকে আমার কাছে বেশি ভালো লাগে। সোনালী সকাল বেলা টা বেশ সব দিকে নিরব থাকে চারদিক আর দুপুর বেলাটা বন্ধুদের সাথে গরমের ছুটি কাটানো। আর এক সাথে থাকলে এক এক জনের মাথাই দুষ্টি মিষ্টি বুদ্ধি জাগে কেউ আজ রাতে ওই গাছের আম খাবে আবার কেউ বলে ওই গাছের লিচু খাবে। আর দুপুর বেলটা কাটে হাজারো গরমের ভিতর দিয়ে। আর বিকেল বেলার আকাশে লেগে থাকে ভয়ানক ঘনকালো মেঘ তখন থেকে প্রস্তুত হয়ে থাকতে হয় কখন দমকা হাওয়া এসে আমের বোটাই আঘাত হানবে আর আমরা সবাই মিলে পাড়াপাড়ি করে আম কুরাবো। আম কুড়াতে কুড়াতে যখন সন্ধ্যা লাগে তখন ঝড় আর বৃষ্টি চলে গেলে আকাশে ভেসে উঠে পূর্ণীমার চাঁদ। চাঁদ মামা দুর আকাশে ভেসে উঠে যেন বলে যায় এই সুন্দর সুর্ণালী সন্ধাই আমি এসেছি তোমাদের সাথে সারাটি রাত কাটাবো বলে। তবে আমি আজ একা একা বসে আছি পুকুর পাড়ে সেই আম বাগানে তার পাশেই আছে একটা বিশাল বড় ফাকা মাঠ। জোসনার আলো আজ যেন সব ঢেলে দিয়েছে ওই মহান আল্লাহ। আর এই ঘন সন্ধাই আমার মনে হলো যেন স্বর্গীয় সুখ অনুভব করছি। কারন আজ বন্ধুরা কেউ আড্ডা দিতে আমার বাড়িতে আসেনি ঝড়ের পরে তাই এই জোসনা রাতে একা একা বসে আছি বাগানে আর আমার পাশে আছে কিছু অচেনা বন্ধু। তারা হলো জোনাকি পোকা তার আলোর ঝলকানিতে মনে হচ্ছে চারিপাশে আলোকিত করে তুলেছে আরো আছে দক্ষিণা ভেজা ভেজা বাতাস এবং হালকা হালকা শীত অনুভব হচ্ছে। আর মনে হচ্ছে চাঁদ মামা তো বলেছে তো আজ আমার সাথে সারা রাত আছেই। আর পাহারা দিবে বলে। আমি বসে ভাবছি যে এই বাংলার প্রকৃতি কত সুন্দর কত মনোরম চারিদিকে তাকালে মনে হয় আমি এক সবুজের মাঝে লাল প্রজাপতি। যখন আমার মন ভালো থাকে না তখন এসে বসি এই পুকুর পাড়ে অথবা আমাদের চাঙরাই সেটা আম বাগানে বসানো হয়েছে। আর এই হিমেল হাওয়াই যেন মনকে আমরা সবাই মিলে পাড়াপাড়ি করে আম কুরাবো। আম কুড়াতে কুড়াতে যখন সন্ধ্যা লাগে তখন ঝড় আর বৃষ্টি চলে গেলে আকাশে ভেসে উঠে পূর্ণীমার চাঁদ। চাঁদ মামা দুর আকাশে ভেসে উঠে যেন বলে যায় এই সুন্দর সুর্ণালী সন্ধাই আমি এসেছি তোমাদের সাথে সারাটি রাত কাটাবো বলে। তবে আমি আজ একা একা বসে আছি পুকুর পাড়ে সেই আম বাগানে তার পাশেই আছে একটা বিশাল বড় ফাকা মাঠ। জোসনার আলো আজ যেন সব ঢেলে দিয়েছে ওই মহান আল্লাহ। আর এই ঘন সন্ধাই আমার মনে হলো যেন স্বর্গীয় সুখ অনুভব করছি। কারন আজ বন্ধুরা কেউ আড্ডা দিতে আমার বাড়িতে আসেনি ঝড়ের পরে তাই এই জোসনা রাতে একা একা বসে আছি বাগানে আর আমার পাশে আছে কিছু অচেনা বন্ধু। তারা হলো জোনাকি পোকা তার আলোর ঝলকানিতে মনে হচ্ছে চারিপাশে আলোকিত করে তুলেছে আরো আছে দক্ষিণা ভেজা ভেজা বাতাস এবং হালকা হালকা শীত অনুভব হচ্ছে। আর মনে হচ্ছে চাঁদ মামা তো বলেছে তো আজ আমার সাথে সারা রাত আছেই। আর পাহারা দিবে বলে। আমি বসে ভাবছি যে এই বাংলার প্রকৃতি কত সুন্দর কত মনোরম চারিদিকে তাকালে মনে হয় আমি এক সবুজের মাঝে লাল প্রজাপতি। যখন আমার মন ভালো থাকে না তখন এসে বসি এই পুকুর পাড়ে অথবা আমাদের চাঙরাই সেটা আম বাগানে বসানো হয়েছে। আর এই হিমেল হাওয়াই যেন মনকে সাচ্ছন্দ করে তোলে। এই ভেজা বাতাসে ভেজা মাটি থেকে ভেসে আসছে ঝিঝি পোকার আওয়াজ আর পাশের পুকুর থেকে ভেসে আসছে ব্যাঙের ঘ্যাঙোর ঘ্যা ডাক। আর এই ঝির ঝির বাতাসের দোলাই কচু পাতা আর গাছের পাতা আর গা ঘেসে গড়িয়ে পড়া বৃষ্টির টুপ টাপ শব্দ। সব কিছু মিলিয়ে একটা অনন্য রকম পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। আর আমার মনে হলো যে জীবনের সব কিছু ভোলা যাই কিন্তু সেই প্রাইমারীর স্যারের বকা ঝকা, হাইস্কুলে থাকতে স্যারের বেতের বাড়ি কলেজে থাকতে স্যার ও ম্যাডামের স্নেহ ভরা সেই সব দেখানো পথ এর থেকে বেশি
কিছু লাগে বলে মনে হই না। বিশেষ করে প্রাইমারি থেকে শুরু করে হাইস্কুল জীবনের কেটে যাওয়া ১০ টি বছর ভোলার নয়। আর যত দিন এই পৃথিবীতে বেচে থাকবো ততদিন মনের মাঝে সেই সব কিছু ছবির মতো ভেসে উঠবে। আর মনে হতো যদি আমি সেই সব দিন গুলো ফিরে পেতাম তাহলে কি ভালোই হতো। আর সৃষ্টি কর্তা সব কিছু এত সুন্দর করে সৃষ্টি করেছেন যে তাকালে অবাক হয়ে যাই আর চোখের থমকে যাই। তবে এই সব কিছু গ্রামের থেকে আর কোথাও উপভোগ করা যাই না থবে নিজের গ্রাম হলে আর ভালো হয়। আর মনে হয় যেন আমি আজ এই সুন্দরের মাঝে দুরুন্ত এক ঘোড়ার মতো ছুটেই চলেছি কেউ আমাকে আটকাতে পারবে না। জীবনের সব সুখ সব আনন্দ পাওয়া যাই ছেলেবেলাই যাই কোনো দিন পাওয়ার নয় হাজারো করেও। যা হোক যা বলছিলাম এই রূপসী বাংলা ছেড়ে আমি কোথাও যেতে চাই না যত এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকব। বাংলার মাঠ ঘাট যেন বর্ষায় পানিতে থৈ থৈ করছে দেখে যেন মন ভরে যাই। তাই আমার এ দেশকে আমি বড়ই ভালোবাসি আর ভালোবাসি এই রূপসী বাংলাকে।






0 Comments
"আসসালামু ওয়ালায়কুম”
আমার ওয়েবসাইটে আপনাদের জানাই স্বাগতম। আপনাদের মন্তব্য না পেলে আমার পোস্ট করা বৃথা যাবে। তাই মন্তব্য করে জানাতে ভুলবেন না এই পোস্টটি আপনার কেমন লেগেছে? আর কোন সমস্যা হলে বা কোন
কিছু জানার থাকলে অবশ্যই মন্তব্য করে জানাবেন।
ধন্যবাদ।